বিস্ময়ের মুখোমুখি

সুহিতা সুলতানা

শ্রাবণের অবিরাম ধারা নদীকে অদৃশ্য করে
দেয়। স্বপ্নের মতো এই নদী বৃক্ষ জল। ঝড়ের
পাখির মতো দোলে মন। অদৃশ্য নদীর ঘরস্রোত
তোমার দু’চোখে এঁকে দেয় ক্লান্তির কালো রেখা। এ
পৃথিবীর অপার রহস্য সবটুকু বোঝো তুমি?
তোমার দেহের খুব কাছাকাছি নাগিনীর নিঃশ্বাস
বয়ে যায়। ধ্বনি বর্ণ সুর লয় সব বিষ হয়ে
মিশে যাচ্ছে জলের সাথে। কোথায় পালাবে তুমি?
সর্বত্র অবিচ্ছিন্ন জলধারা। এও জানি ফিকির ফন্দি
ভালো বোঝো তুমি! তারপরও জীবনে বেঁচে থাকা
বলে কথা। তারপরও তোমাকেই বলি কি হবে
এভাবে ইঁদুরের মতো বেঁচে থেকে? এর চেয়ে মৃত্যু
ঢের ভালো। শূন্যতায় উড়িয়ে দাও খোলস, মুক্ত
হও। ‘মুক্ত হতে কেন মায়া লাগে?’ তোমার এরকম
বিপর্যয় দেখে সেই থেকে বিস্ময়ের মুখোমুখি
অবনত হয়ে আছি। এও কি সম্ভব? শুধু বেঁচে
থাকার জন্যে তোমার এই ভয়াবহ আত্মত্যাগ?
একাকিত্ব শান্তি নয়; তবু অশান্তির চেয়ে ভালো